রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার বাইরে থেকে বিশেষত দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্ব এশিয়া থেকে খাবারের অর্ডার সংখ্যা বেড়ে গেছে। গ্র্যাব ও গোজেকের মাধ্যমে সমর্থকরা রাইডারদের জন্য খাবার ও মুদিপণ্য সরবরাহ করছেন।

ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন শহরে চলমান বিক্ষোভে প্রতিবেশী দেশগুলোও সমর্থনের হাত বাড়িয়েছে। সম্প্রতি একজন ডেলিভারি রাইডারের মৃত্যুর পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের নাগরিকরা জনপ্রিয় ডেলিভারি অ্যাপ গ্র্যাব ও গোজেকের মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়ার রাইডারদের জন্য খাবার অর্ডার করছেন।

বিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটে গত ২ সেপ্টেম্বর। যখন গোজেক চালক আফফান কুরনিয়াওয়ান পুলিশের গাড়িচাপায় নিহত হন। এ ঘটনায় জনরোষ তীব্র আকার ধারণ করে এবং বিভিন্ন সরকারি ভবনে আগুন দেওয়া হয়। দেশজুড়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বাড়তে থাকে। বিক্ষোভে এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেশী দেশগুলোর নাগরিকরা #SEAblings হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে সমর্থন জানাচ্ছেন। ফিলিপাইনের সেবু দ্বীপের বাসিন্দা তারা (৩৪) জাকার্তায় দুই দফায় খাবার ও পানীয় পাঠিয়েছেন। একইসঙ্গে অনলাইনে অন্যদেরও সাহায্যের নির্দেশিকা পোস্ট করেছেন। মালয়েশীয় শিক্ষার্থী আয়মান হারিজ মুহাম্মদ আদিব বলেছেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাদের সাহস আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন শহরে মোতায়েন করা হয়েছে। দেশজুড়ে খাদ্য ও পানীয় বিতরণে সমর্থন পেয়ে বিক্ষোভকারীরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন। কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে, রাইডাররা কাঁদছেন এবং বিদেশ থেকে আসা অর্ডারের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার বাইরে থেকে বিশেষত দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্ব এশিয়া থেকে খাবারের অর্ডার সংখ্যা বেড়ে গেছে। গ্র্যাব ও গোজেকের মাধ্যমে সমর্থকরা রাইডারদের জন্য খাবার ও মুদিপণ্য সরবরাহ করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *