গাজায় খাদ্যের মজুদ শেষ সংকট চরমে

ইউএনআরডব্লিউএ’র প্রধান মাইকেল ফাখরি বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্পষ্টতই গাজায় ‘অনাহার অভিযান’ ঘোষণা করেছেন। গাজায় রীতিমতো ‘মানবসৃষ্ট’ এবং ‘রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অনাহার’ পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। দীর্ঘ ৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনের গাজায় সব ধরনের খাদ্য, পানি এবং ওষুধ প্রবেশ বন্ধ রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী। ফলে তীব্র অনাহারে দিন কাটাচ্ছে অসহায় ফিলিস্তিনিরা। এমন পরিস্থিতিতে অবরুদ্ধ এ উপত্যকায় খাদ্যের মজুত শেষ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এক বিবৃতিতে ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, তাদের আওতায় যেসব দাতব্য রান্নাঘরকে এতদিন সহায়তা করা হতো, সেখানে পৌঁছে মজুত খাদ্যের শেষ চালান এরই মধ্যে দেয়া হয়েছে। এখন আর তাদের কাছে কোনো খাদ্য মজুত নেই। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) প্রধান মাইকেল ফাখরি বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্পষ্টতই গাজায় ‘অনাহার অভিযান’ ঘোষণা করেছেন। গাজায় রীতিমতো ‘মানবসৃষ্ট’ এবং ‘রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অনাহার’ পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। ফাখরি বলেন, গত ৩ মার্চ নেতানিয়াহু ঘোষণা করেন- ইসরাইল গাজায় সব ধরনের পণ্য এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশ বন্ধ করবে। এরপর ৫০ দিনেরও বেশি সময় পার হয়েছে এবং এখনো এ পরিস্থিতি চলমান রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক আইনে এমন কোনো শর্ত নেই যেখানে কেউ বেসামরিক নাগরিকদের মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দিতে পারে। সুতরাং ফিলিস্তিনিদের খাদ্য ও ত্রাণ সরবরাহকে দর কষাকষির একটি উপায় হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরাইল। গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১৮ মাস ধরে চলা ইসরাইলের তা-বে অন্তত ৫১ হাজার ৪৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ১ লাখ ১৭ হাজার ৪১৬ জন। আল-জাজিরা।(মোঃ মিছবাহ উদ্দিন)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *